মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের মদদে গাজায় ইসরাইলি গণহত্যা ও ইরানে হামলার প্রতিবাদে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব প্রাঙ্গনে ভাসানী চর্চা কেন্দ্রের উদ্যোগে এই মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধন চলাকালে ভাসানী চর্চা কেন্দ্রের সভাপতি অ্যাডভোকেট আবদুন নূরের সভাপতিত্বে এবং ভাসানী চর্চা কেন্দ্রের সংগঠক অ্যাডভোকেট মোঃ নাসিরের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, জেলা উদীচী শিল্পগোষ্ঠীর সভাপতি জহিরুল হক স্বপন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মতিলাল বণিক, শিক্ষার্থী ফাহিম মুনতাসির, আবু বক্কর, শাহরিয়ার এঞ্জেল প্রমুখ।
মানববন্ধনে মার্কিন মদদে গাজায় অব্যাহত গণহত্যা এবং ইরানে বোমা হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বক্তাগন বলেন, মুসলিম বিশ্বের যে সকল দেশ আজ নিরব ভূমিকা পালন করছেন আগামীতে আপনাদের উপর এই আক্রমন হতে পারে। বক্তারা ইজরাইলি গণহত্যা ও মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিবেক কে এক হওয়ার আহবান জানান।
বক্তারা বলেন, গাজার জনগন ও ইরানের জনগন পৃথিবীর নির্যাতিত মানুষের পাশে আমাদের থাকতে হবে। এই পুঁজিবাদের বিরুদ্ধে আমরা জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে শোষিত মানুষেরা এক হয়ে সাম্রাজ্যবাদ শক্তিকে পৃথিবী থেকে ধ্বংস করে দিতে হবে।
ঈদুল আযহার ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছে কর্মজীবী মানুষ। দক্ষিণ বঙ্গের ২১টি জেলার প্রবেশদ্বার দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটের দৌলতদিয়া লঞ্চ ও ফেরী ঘাট প্রান্তে ঢাকামুখী যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড় দেখা গেছে।
শনিবার (১৪ জুন) বেলা ১২টার দিকে দৌলতদিয়া লঞ্চ ঘাটের বিআইডব্লিউটিএর টিকিট কাউন্টারের প্রবেশ পথে উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা যায়।
এদিকে ভোর থেকেই ফেরিঘাটে যাত্রীরা এসে নদী পাড় হচ্ছে। সেইসাথে যাত্রীবাহী যানবাহনের সংখ্যাও ছিলো চোখে পড়ার মতো।
কুষ্টিয়া থেকে ঢাকামুখী যাত্রী সলিম খান বলেন, ঈদের ছুটিতে, পরিবারের সাথে ঈদ কাটাতে বাড়িতে এসেছিলাম। ছুটি শেষে বাড়ি থেকে রওনা হয়ে লঞ্চঘাটে এসেছি। পথে ও ঘাটে কোনোরকম ভোগান্তি নেই। আশা করছি ভালোভাবেই ঢাকায় যেতে পারব।
