গোয়ালন্দে ঈদ পুনর্মিলনী প্রীতি ফুটবল খেলায় বিজয়ী সোনালী অতীত, সাদা দল

Spread the love

রেজাউল করিম
গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি

“সোনালী দিনের খেলা ফিরে আসুক, আনন্দে সবাই মেতে উঠুক” স্লোগানে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে ঈদ পুনর্মিলনী প্রীতি ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে গোয়ালন্দের কৃতি সন্তান যারা গোয়ালন্দের বাইরে এমনকি প্রবাসে বসবাস করেন তাদের সমন্বয়ে এ খেলাটি অনুষ্ঠিত হয়। এদিন সোনালী অতিতের কমপক্ষে অর্ধ শতাধিক খেলোয়াড় উপস্থিত ছিলেন।

ঈদ পুনর্মিলনী প্রীতি ফুটবল খেলাটি স্বার্থক করতে এসময় মাঠে উপস্থিত ছিলেন, গোয়ালন্দের এক সময়ের সাড়া জাগানো ফুটবলার মো. সাইফুজ্জামান হিরন, জায়েদ আল জব্বার প্রমুখ।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, গোয়ালন্দ ফুটবল একাডেমীর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য মো. তাহাজ্জুত হোসেন তাহা, তিতাস খান, মো. আলতাব মাহমুদ, আবু ওসমান।

মঙ্গলবার (১০ জুন) বিকেল সাড়ে ৫ টায় গোয়ালন্দ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বিদ‍্যাপীঠ গোয়ালন্দ নাজির উদ্দিন পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ‍্যালয় মাঠে ঈদ পুনর্মিলনী ও প্রীতি ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রীতি ম‍্যাচটি গোয়ালন্দ ইয়ুথ এন্ড স্পোর্টস ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির বাস্তবায়নে আয়োজন করেন গোয়ালন্দ সোনালী অতীত ক্লাব।

নির্ধারিত সময়ের খেলায় সোনালী অতীত সাদা দল ২-১ গোলে সোনালী অতীত নীল দলকে পরাজিত করে জয় লাভ করেন। সাদা দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করে চট্টগ্রাম শহরে বসবাসরত গোয়ালন্দের কৃতি সন্তান, সোনালী অতীত ফুটবলার মো. ফরহাদ হোসেন এবং সোনালী অতীত নীল দলের দলীয় অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেন গোয়ালন্দে অবস্থানরত সোনালী অতীত ফুটবলার সাইফুর রহমান পারভেজ।

এসময় ঈদ পুনর্মিলনী প্রীতি ফুটবল খেলায় সোনালী অতীত নীল দলে অংশ নেন সাবেক ফুটবলার সাইফুর রহমান পারভেজ, সিরাজুল ইসলাম চানমিয়া, মো. ফারুক হোসেন, মো. সাজ্জাদ হোসেন, মো. জহিরুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম রাজ্জাক, মো. আলমগীর হোসেন, মো. সুলতান ফকির, মো. জাহিদুল ইসলাম, মো. ফিরোজ আহমেদ ও রিপন বিশ্বাস।

সোনালী অতীত সাদা দলে অংশ নেন মো, আরিফ হোসেন নারু, মো. ফরহাদ হোসেন, মো. মোস্তাফিজুর রহমান রানা, কে এম সোহেল মাহমুদ, গোলাম মোস্তফা সোহাগ, সুলতান মাহমুদ সবুজ, হুমায়ন আহমেদ, রেজাউল করিম, ঈমান আলী, নিরঞ্জন বিশ্বাস ও স্বপন কুমার, জিয়া রহমান।

ঈদ পুনর্মিলনী প্রীতি ফুটবল ম‍্যাচ সম্পর্কে গোয়ালন্দ ইয়ুথ এন্ড স্পোর্টস ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা ও আয়োজক কমিটির আহবায়ক মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ভাতৃত্বের বন্ধন অটুট রাখতে এবং ঈদ পরবর্তী দূর-দূরন্তে থাকা সবার সাথে একত্রে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করতেই এমন আয়োজন। বেশ কয়েক বছর ধরেই আমাদের এমন আয়োজন চলমান রয়েছে। আশা করি যতদিন বেঁচে আছি আমরা সবাই মিলে একত্রে এমন আয়োজন অব‍্যাহত রাখবো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *