
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার ভাটের চর ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার কে হত্যার হুমকির অভিযোগ উঠেছে সাবেক ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আব্দুল মতিন এর বিরুদ্ধে।
এ বিষয়ে গতকাল গজারিয়া থানায় পরিবারে নিরাপত্তা চেয়ে একটি অভিযোগ দাখিল করেছে মাদ্রাসা সুপার আবুল হোসেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায় সাবেক ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আব্দুল মতিন এড হক কমিটি তৈরি করার পূর্বে নিজের যোগ্যতাকে গোপন করে ও রাজনৈতিক প্রভাব দেখিয়ে সভাপতি পদ বাগিয়ে নেন।
কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর অ্যাড হক কমিটি নির্বাচন করতে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে গত ৬ মাস পূর্বে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে কমিটির সম্পন্ন করা হয়।
এই কমিটির মেয়াদ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। কমিটির মেয়াদ থাকা অবস্থায় সাবেক সভাপতি আব্দুল মতিন বিভিন্নভাবে মাদ্রাসা সুপার কে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও বস্তায় ভরে হত্যার হুমকি দিয়ে আসতেছে।
এমনকি তার পুত্র সন্তান ঢাকায় দশম শ্রেণীতে লেখাপড়া করে। উক্ত মাদ্রাসায় নির্বাচনের প্রার্থী হওয়ার জন্য নিজের সন্তানকে কতিপয় শিক্ষক ও অফিস সহকারীর মাধ্যমে ভর্তির খাতায় নবম শ্রেণীতে ভর্তি দেখায়।
এ বিষয়ে মাদ্রাসার সুপার আবুল হোসেন বাংলা শিক্ষক সৈয়দ রাজু রানা ও সহকারী মৌলভী আরবী শরিফুল্লাহ ও অফিস সহকারী ফাতেমা আক্তারের নিকট কিভাবে ভর্তি করালেন জানতে চাইলে তারাও সুপারের সাথে অসৌজন্য মূলক আচরণ করেন।
আরো জানা যায় ছয় মাস পূর্বে মাদ্রাসা সুপারের সাথে অসৌজন্য মূলক আচরণ করলে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জাকির হোসেনের উপস্থিতিতে উপজেলা পরিষদে বসে সমাধা করে দেন কর্তৃপক্ষ।
এ বিষয়ে সাবেক সভাপতি আব্দুল মতিন এর সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করার পরেও ফোন রিসিভ করেননি।
গজারিয়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জাকির হোসেন জানান উক্ত বিষয়গুলি অবগত হয়ে উপজেলা প্রশাসনে আমরা বসে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা যাতে আর না ঘটে উভয় পক্ষকে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায়ের লক্ষ্যে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
মাদ্রাসা সুপার আবুল হোসেন জানান ম্যানেজিং ও অ্যাড হক কমিটি বোর্ডের নির্ধারিত নিয়মে শুরু ও শেষ করতে হয়। এখানে আমার কোন কিছু করার নেই মেয়াদ শেষ না হওয়া পূর্বে কোন আইনে আমি কমিটি গঠন করব। সাবেক সভাপতি আব্দুল মতিন এর কোন সন্তান উক্ত মাদ্রাসাতে পড়াশোনা করে না। কমিটিতে তাকে রেখে আমাকে সমস্ত কিছু করতে হবে বলে এই মর্মে হুমকি দেন।
এ বিষয়ে গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ আনোয়ারুল আজম আজাদ জানান বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত আছি। এবং মাদ্রাসা সুপারের নিরাপত্তার বিষয় নিয়ে সুপার থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছে। যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া চলমান আছে।
